***** HEALTH IS WEALTH *****

“I believe that the greatest gift you can give your family and the world is a healthy you.” – Joyce Meyer

**CONNECT US TO GET HEALTH TIPS DAILY ***

“Good health is not something we can buy. However, it can be an extremely valuable savings account.” – Anne Wilson Schaef

**YOUR FITNESS IS YOUR GREATEST WEALTH**

“A fit body, a calm mind, a house full of love. These things cannot be bought – they must be earned.” – Naval Ravikant

** FOLLOW US TO GET DAILY HEALTH BLOGS ***

“If you're happy, if you're feeling good, then nothing else matters.” – Robin Wright

**** THANK YOU ****

THANK YOU FOR YOUR CONTINUOUS HEALTH AND SUPPORT

"HEALTH GUIDE BENGALI" provide you all health information,our mission is to provide all health tips and health related information and health blogs...

Showing posts with label FRUITS AND NUTS. Show all posts
Showing posts with label FRUITS AND NUTS. Show all posts

Thursday, 17 November 2022

পেয়ারা || পেয়ারার ১০টি উপকারিতা



পেয়ারা আমাদের সকলের প্রিয় একটি ফল। স্বাদ, গন্ধ আর পুষ্টিগুণে পেয়ারার তুলনা হয়না। এটি প্রায়ই সব ঋতুতেই খুব কম দামে পাওয়া যায়। পেয়ারার পুষ্টিগুণ আমাদের অনেকেরই অজানা। অথচ এই পুষ্টিকর ফলটি যেমন আমাদের প্রতিদিনের খাবারের অংশ হতে পারে তেমনি আমাদের অনেক অসুখ বিসুখ থেকে বাঁচাতে পারে।

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করব পেয়ারার ১০টি উপকারিতা, পুষ্টিগুণ, ঔষধিগুণ  সহ অতিরিক্ত এ ফলটি খেলে এর অপকারিতা কি এবং কি কি সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন সে সমবন্ধে।

পেয়ারার ১০টি উপকারিতাঃ

পেয়ারার ১০টি উল্লেখযোগ্য উপকারিতা বর্ননা করা হলো।

১। ডায়রিয়া ভালো করেঃ পেয়ারার পাতা প্রাচীন কাল থেকেই ভেষজ ঔষধ হিসেবে ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যবহার হয়ে আসছে। ডায়রিয়ার চিকিৎসায় ৬ টি পেয়ারার পাতা নিয়ে তা পানিতে সিদ্ধ করে সেই পাতার নির্যাস পান করুন দিনে দুইবার যতদিন না আপনি সুস্থ হন।

২। ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ পেয়ারা একটা ভিটামিন সি সম্পুর্ন ফল এবং এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার আছে । আপনি নাস্তা বা হালকা খাবার হিসেবে তৈলাক্ত খাবার না খেয়ে পেয়ারা খেতে পারেন যা আপনার পেট ভরবে কিন্তু মেদ বৃদ্ধি করবে না।

৩। বয়সের ছাপ কমায়ঃ মানুষ যতই সুন্দর হোক না কেন বয়সের সাথে সাথে সবার চামড়াতেই বয়সের একটা ছাপ পড়ে। প্রকৃতির এই নিয়মকে কখনই ঠেকানো যায়না কিন্তু আমরা বয়সের এই ছাপ পড়াকে একটু আটকাতে পারি এন্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি যুক্ত ফল খেয়ে যা কিনা আমাদের ত্বকের পুনর্গঠনে ভুমিকা রাখে। পেয়ারায় প্রচুর প্রোস্টেট ক্যান্সার এবং মুখের ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কম।

৪। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করেঃ অনেক ফলে অনেক সুগার থাকে যার ফলে রক্তের সুগারের মাত্রা বেড়ে যায় কিন্তু পেয়ারা নিয়মিত খেলে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে বলে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের উপরে করা একটি রিসার্চে জানা গেছে।

৫। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করেঃ পেয়ারার ডায়েটারি ফাইবার আমাদের ব্লাড ভেসেল এবং আর্টারি পরিস্কার রাখে। এছাড়া পেয়ারা খেলে এটি আমাদের শরীরের সব অঙ্গে স্বাস্থ্যকর রক্ত প্রবাহে সাহায্য করে।

৬। হজমে সাহায্য করেঃ যাদের হজমে সমস্যা হয় তারা পরিমাণ ভিটামিন সি ও এন্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা আপনার চামড়া থেকে বয়সের ছাপ দূর করতে সাহায্য করবে।

৭। মেটাবলিজম বাড়ায়ঃ সুস্থ থাকার জন্য ও এনার্জেটিক থাকার জন্য আমাদের একটি স্বাস্থ্যকর মেটাবলিক সিস্টেম থাকা উচিত। পেয়ারায় প্রচুর ডায়েটারি ফাইবার ও এন্টি অক্সিদেন্ট আছে যা কঠিন প্রটিনকে ভেঙ্গে আমাদের শরীরে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। এটি আমাদের মস্তিস্কের কার্যক্ষমতাও বৃদ্ধি করে দেয়।

৮। থাইরয়েডের সমস্যা থেকে আমাদের দূরে রাখেঃ আগেই বলা হয়েছে পেয়ারা আমাদের শরীরের মেটাবলিক সিস্টেমের অনেক সাহায্য করে। আর একটা স্বাস্থ্যকর মেটাবলিক সিস্টেম আমাদের থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাস্থ্যের জন্যও দরকারি।

৯। ক্যান্সার রোধে সাহায্য করেঃ পেয়ারায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন, মিনারেল ও এন্টি অক্সিডেন্ট আছে। এইসব উপাদান আমাদের শরীরে টিউমার ও ক্যান্সারের সেল হতে বাঁধা সৃষ্টি করে। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত পেয়ারা খান তাদের ব্রেস্ট ক্যান্সার, নিয়মিত পেয়ারা খেলে উপকার পেতে পারেন। এটি যেমন আমাদের সিস্টেমকে পরিস্কার রাখে তেমনি শরীর থেকে ক্ষতিকর অনেক পদার্থ দূর করে আমাদের অনেক অসুখ বিসুখ থেকে দূরে রাখে।

১০। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর নির্ভর করে আমরা অসুখ বিসুখ ও ইনফেকশনে কতোটা সহজে আক্রান্ত হব। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তারা খুব সহজেই অসুখ বিসুখে আক্রান্ত হয়। পেয়ারা নিয়মিত খেলে এর মধ্যে থাকা ভিটামিন সি এবং এন্টি অক্সিডেন্ট আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে আমাদের সহজে অসুখ বিসুখে আক্রান্ত হওয়া থেকে দূরে রাখে।

পেয়ারার ঔষধিগুণঃ

পেয়ারার ভিটামিন সি এবং আয়রন সর্দি , কাশি এবং জ্বরে উপশমে সহায়তা করে।

পেয়ারা এর ভিটামিন বি৩ এবং বি৬ মস্তিস্কের জন্য উপকারী ।

পেয়ারাতে থাকা ভিটামিন-এ চোখের জ্যোতি বৃধি করে।

ক্যান্সার প্রতিরোধে বিশেষ করে মহিলাদের স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক

পেয়ারার মধ্যে থাকা কপার থাইরয়েড জনিত সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে।

পেয়ারার অপকারিতাঃ  যেকোন ভাল কিছুই আপনি যদি মাত্রাতিরিক্ত ব্যাবহার করেন বা গ্রহন করেন তবে তাঁর ফলাফল ভাল থাকেনা। তেমনই অধিক পেয়ারা খেলেও আপনাকে পরতে হবে কিছু সমস্যায় ।

পেট ফাপাঃ  পেয়ারা একটি উচ্চ ফ্রুক্টোজ সমৃধ ফল। আমাদের শরীর অধিক পরিমানে ফুক্ট্রোজ শোষণের জন্য উপুযোগী নয়। তাই অধিক পরিমাণে পেয়ারা খেলে এর খনিজ এই উপাদানটি আমাদের এবং সাথে কিছু ব্যাক্টেরিয়া মিলে পেটে গ্যাস উতপন্ন করে এবং পেট ফাপা অনুভূত হয়।

ডাইরিয়া এবং পেটের পীড়াঃ উচ্চ মাত্রার ফ্রুক্টজ হজম করতে না পারার কারনে অনেক সময় ডাইরিয়া এবং পেটব্যাথা হতে পারে। আর পেয়ার ভিতরের অংশে অনেক বীজ থাকে। এই অংশটি আমাদের পেটে কখনোই ঠিক মত হজম হয়না। তাই অধিক পেয়ারা খেলে পেট ব্যাথা এবং পেট খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

সুগার বৃদ্ধিঃ অধিক পেয়ারা খেলে আপনার ব্লাড সুগার বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। আর পাশাপাশি এটিতে কোন প্রোটিন এবং ফ্যাট না থাকায় আপনি পেট ভরে পেয়ারা খেলেও একটু পর দেখবেন আপনার আবার ক্ষুধা পেয়ে যাচ্ছে। কারন শরীরে প্রোটিনের অভাব থেকেই যায়। তাই এভাবে প্রয়োজনের অধিক খাবার গ্রহন যাদের রক্তে সুগারের সমস্যা আছে তাদের জন্য ক্ষতির কারন হতে পারে।

ব্যাকটেরিয়াঃ অন্যান্য যে কোন ফলের মতো পেয়ারাতেও ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রামণ হয়। বিশেষ করে যদি পেয়ারার চামড়া ফাটা বা ক্ষতিগ্রস্থ থাকে তবে তাতে ব্যাক্টেরিয়ার দ্বারা সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই পেয়ারা উপরের চামড়া ফেলে দিয়ে খাওয়া বযাক্টেরিয়ার উপদ্রব থেকে রেহাই দিতে পারে।



আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

Wednesday, 16 November 2022

আম



আম আমাদের সবার পছন্দের একটা ফল। আম খেতে যেমন সুস্বাদু  তেমনি এর রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা। ভিটামিন , মিনারেল এবং এন্টি অক্সিডেন্ট সহ আমাদের শরীরের জন্য উপকারী এবং প্রয়োজনীয় অনেক উপাদানই আমের মধ্যে রয়েছে।

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আমের ১০ টি উপকারিতার কথা জানব।

 
১। ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করেঃ বিভিন্ন রিসার্চে দেখা গেছে আমের মধ্যে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট, কোলন ক্যান্সার, ব্রেস্ট ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার এবং লিউকেমিয়া সহ বিভিন্ন রকমের ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

২। কোলেস্ট্রেলরের মাত্রা কমায়ঃ আমে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার, পেক্টিন এবং ভিটামিন সি আছে। এইসব উপাদান শরীরের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে আমাদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।

৩। ত্বক সুন্দর রাখেঃ আম খেলে বা ত্বকের উপর ব্যবহার, দুইটাই ত্বকের জন্য উপকারী। আম আমাদের ত্বকের বন্ধ হয়ে যাওয়া লোমকূপ খুলে দিয়ে ব্রণ থেকে আমাদের ত্বককে রক্ষা করে।

৪। চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি করেঃ ভিটামিন এ আমাদের দৃষ্টিশক্তি ও চোখের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই জরুরী। এক কাপ আমে আমাদের প্রতিদিনের ভিটামিনের এ এর চাহিদার ২৫% ভিটামিন এ থাকে। নিয়মিত আম খেলে এটি আমাদের রাতকাণা রোগ ও শুষ্ক চোখের সমস্যা থেকে দূরে রাখবে।

৫। শরীরের অম্ল অ ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করেঃ আমে টারটারিক এসিড, ম্যালিক এসিড এবং সাইট্রিক এসিড থাকে যা আমাদের শরীরের অম্ল অ ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে।

৬। ডায়বেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করেঃ
 আমের পাতায় এমন উপাদান আছে যা আমাদের রক্তের ইন্সুলিনের মাত্রা স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। গরম পানিতে আমের পাতা সিদ্ধ করে, সারারাত সেই পানিতে পাতা ভিজিয়ে ভোর বেলা সেই পানি খেলে উপকার পাওয়া যায়।

৭। হজমে সাহায্য করেঃ
 আমে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আছে যা আমাদের হজমে সাহায্য করে।

৮। প্রচণ্ডে গরমে হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে আম খানঃ প্রচণ্ড গরমে কাঁচা আমের জুস আমাদের শরীরকে প্রশান্ত অ ঠাণ্ডা করে। প্রচণ্ড গরমে আমাদের শরীর থেকে অধিক পরিমাণ পানি বের হয়ে যায়। ফলে শরীরে পানির পরিমাণ কমে যায় এবং টক্সিক পদার্থের মাত্রা বেড়ে যায়। গরমের সময় আমের জুস শরীরের পানি শুন্যতা যেমিওন দূর করে তেমনি ক্ষতিকর পদার্থ শরীর থেকে বের করে দেয়।

৯। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়ঃ আমে প্রচুর ভিটামিন সি, এ এবং প্রায় ২৫ রকমের ক্যারটিনয়েড আছে যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে আমাদের সাস্থবান বানায়।

১০। এজমা প্রতিরোধে সাহায্য করেঃ আমের মধ্যে থাকা ভিটামিন সি কিছু কিছু ক্ষেত্রে এজমা অ্যাটাক প্রতিরোধে সাহায্য করে।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

আম কেন খাবেন? আমের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ কি কি?

 


আম কেন খাবেন? আমের উপকারিতা  ও পুষ্টিগুণ কি কি?

১. পাকা আম আমাদের ত্বক কে সুন্দর, উজ্জ্বল ও মসৃণ করে। শুধু তাই নয়, এটি আমাদের ত্বকের ভেতর ও বাইরে থেকে উভয়ভাবেই সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। আম আমাদের ত্বকের লোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে ও ব্রণের সমস্যা সমাধানে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. গাছপাকা আমে পর্যাপ্ত পরিমাণে খনিজ লবণের উপস্থিতিও রয়েছে । আমাদের শরীরের দাঁত, নখ, চুল ইত্যাদি মজবুত করার জন্য আমের খনিজ লবণ উপকারী ভূমিকা পালন করে।

৩. সাধারণত পাকা আম ত্বকের লোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে ফলে মুখের ও নাকের উপর জন্মানো ব্ল্যাকহেড দূর করতে অনেকাংশে সাহায্য করে। আপনি যদি প্রতিদিন ১০০ গ্রাম পাকা আম খান তাহলে আপনার মুখের কালো দাগ দূর হবে।

৪. আমের উপকারিতা গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে আমের পুষ্টি উপাদান। পাকা আমের আঁশে কিছু উপাদান যেমন- ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ থাকায় তা হজমে সহায়তা করে থাকে। আমে আছে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম এটা আমাদের শরীরের প্রোটিন অণুগুলো ভেঙ্গে ফেলতে সাহায্য করে যা হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

৫. আমে প্রায় ২৫ রকমের বিভিন্ন কেরাটিনোইডস উপকারী ব্যাকটেরিয়া আছে যা আপনার ইমিউন সিস্টেমকে সুস্থ ও সবল রাখে।

৬. আমে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন- বি কমপ্লেক্স। এই ভিটামিন আমাদের শরীরের স্নায়ুগুলোতে অক্সিজেনের সরবরাহ সচল রাখতে সাহায্য করে। আমাদের শরীরকে রাখে পুরোপুরি সতেজ। যার ফলে খুব দ্রুত ঘুম আসতে সাহায্য করে।

৭. আমে রয়েছে বেটাক্যারোটিন, ভিটামিন ই এবং সেলেনিয়াম। এসব উপাদান পরিমাণে পর্যাপ্ত থাকায় পাকা আম হার্টের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে।আমাদের হার্টকে সুস্থ ও সবল রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৮. আপনি যদি প্রতিদিন এককাপ আম খেতে পারেন তাহলে এটি আপনার শরীরে ভিটামিন ‘এ’ এর চাহিদার প্রায় পঁচিশ শতাংশের যোগান দিতে পারবে। ভিটামিন ‘এ’ আমাদের চোখের জন্য খুবই উপকারী। এটি আমাদের চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা করে।

৯. আমে প্রচুর পরিমাণে এসিড থাকে যেমন- টারটারিক এ্যাসিড, ম্যালিক এ্যাসিড ও সাইট্রিক এ্যাসিড যা আমাদের শরীরে অ্যালকালাই বা খার ধরে রাখতে সহায়তা করে অনেকাংশেই।

১০. আমের মধ্যে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কিনা শরীরের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। স্তন, লিউকেমিয়া, কোলন প্রোস্টেট ক্যান্সারের মত মারাত্মক ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এতে প্রয়োজনীয় এনজাইমও পাওয়া যায়।

১১. পাকা আম পটাশিয়ামসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি আমদের হার্টবিট ও রক্তস্বল্পতা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। আমাদের হার্টবিটকে সচল রাখতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

১২. পাকা আম আমাদের শরীরের রক্ত পরিষ্কারে সহায়তা করে। আমের মধ্যে থাকা টারটারিক, ম্যালিক ও সাইট্রিক এ্যাসিড শরীরে অ্যালকোহল ধরে রাখতে সহায়তা করে।

১৩. আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি, পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমে ভিটামিন-সি এর পরিমাণ বেশি। যা আমাদের দাঁত ও হাড় গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

১৪. আম আমাদের শরীরের ক্ষয়রোধ করে। প্রতিদিন আম খেলে দেহের ক্ষয়রোধ হয় এবং স্থূলতা কমিয়ে শারীরিক গঠনে ইতি বাচক ভূমিকা পালন করে।

১৫. শুধু তাই নয়, আমের ভেষজ গুণ আমাদের স্কিন ক্যান্সারসহ ভিভিন্ন জটিল রোগ থেকে রক্ষা করে।

১৬. আমে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ সেই সাথে আরো আছে ফাইবার যা সিরাম কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়, বিশেষ করে রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টরল যেমন কম ঘনত্বের লাইপোপ্রটিন এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

অতএব বুঝতেই পারছেন আমের উপকারিতা অপরিসীম। আসছে আমের সিজন। অবশ্যই আপনি এবং আপনার পরিবারের সদস্যরা আম খাবেন। তবে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত আম খেতে হবে। বাজারের ফরমালিন যুক্ত আমের উপকারিতা থেকে অপকারিতাই বেশি। এই বিষয়ে সাবধান হবেন।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

Friday, 11 November 2022

খেঁজুড়ের উপকারী গুন || খেজুরের উপকারিতা || খেজুরের উপকারিতা ও অপকারিতা

 

প্রতিদিন সকালে ৩-৪ টে খেজুর খেলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। বিশেষত যারা কনস্টিপেশন বা কোনো ধরনের পেটের রোগে ভুগছেন তাদের জন্য তো এই ফলটি মহৌষধির কম নয়! এখানেই শেষ নয়, খেজুরের আরও অনেক উপকারিতা আছে, যেমন
একাধিক পেটের রোগের প্রকোপ কমায় :


প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকার কারণে নিয়মিত এই ফলটি খেলে বাওয়েল মুভমেন্টে মারাত্মক উন্নতি ঘটে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোনো ধরনের পেটের রোগই আর মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না। প্রসঙ্গত, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন ৩টি করে খেজুর খেলে শরীরে অন্দরে উপকারী  ব্যাকটেরিয়ায় মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে বদহজম, কোলাইটিস ও হেমোরয়েডের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।



হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে :
খেজুরে উপস্থিত খনিজ এবং ভিটামিন হাড়কে এতটাই শক্তপোক্ত করে দেয় যে বয়স্কালে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে কমে যায়।

অ্যানিমিয়া রোগকে দূরে রাখে :
শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দিলেই মূলত এই ধরনের রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। তাই তো শরীরে যাতে এই খনিজটির ঘাটতি কোনও সময় দেখা না দেয়, সেদিকে খেয়াল রাখা একান্ত প্রয়োজন। আর এক্ষেত্রে খেজুর দারুণভাবে সাহায্য করতে পারে। কীভাবে? এই ছোট্ট ফলটি আয়রণ সমৃদ্ধি। তাই তো অ্যানিমিয়ার মতো রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভুমিকা নেয়।


অ্যালার্জির প্রকোপ কমায় :
 ২০০২ সালে প্রকাশিত এক গবেষণা পত্রে দাবি করা হয়েছিল খেজুরে উপস্থিত সালফার কম্পাউন্ড অ্যালার্জির মতো রোগ থেকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে :
ডায়াটারি ফাইবারে সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে নিয়মিত খেজুর খেলে শরীরে ‘এল ডি এল’ বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের আশঙ্কা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে এতে উপস্থিত পটাশিয়াম আরও সব হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমায়।


ওজন বাড়ায় :
নানা কারণে যাদের ওজন মাত্রাতিরিক্ত হারে কমে যেতে শুরু করেছে, তারা আজ থেকেই খেজুর খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন। কারণ এই ফলটিতে উপস্থিত ক্যালরি শরীরে ভাঙন রোধ করে ওজন বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।


সংক্রমণের আশঙ্কা হ্রাস :
খেজুরে প্রচুর মাত্রায় প্রাকৃতির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা একাধিক রোগকে দূরে রাখার পাশাপাশি শরীরের গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, এই ফলটিতে বেশ কিছু অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজও রযেছে, ফলে নিয়মিত খেজুর খেলে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও অনেকাংশে হ্রাস পায়।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

Thursday, 10 November 2022

পাকা কলার গুণাগুণ || পাকা কলার উপকারিতা || পাকা কলার উপকারিতা ও অপকারিতা

 


পাকা কলার গুণাগুণ আমরা সবাই কমবেশি জানলেও কাঁচা কলা সম্পর্কে আমরা কতটুকু জানি।কাঁচা কলা সবজি হিসেবেই পরিচিত। অনেকে আবার কাঁচকলা নামেও ডাকে। এটি সহজলভ্য একটি সবজি। বার মাসই কম বেশি বাজারে পাওয়া যায়। দাম কিন্তু একদমই কম নয়।

চিকিৎসকরাও অনেক সময় কাঁচা কলা খাবার উপদেশ দিয়ে থাকেন। কাঁচা কলায় রয়েছে উচ্চমাত্রার ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি৬ ও ভিটামিন-সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফেট। এতে কার্বোহাইড্রেট কমপ্লেক্স স্টার্চ হিসেবে থাকে। কাঁচা কলার ভিটামিন বি-৬ রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি করে, যা রক্তে অক্সিজেন পরিবহন করে। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন বি-৪ রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। এই জন্য রোগীর পথ্য হিসেবে কাঁচা কলা বেশ পরিচিত।

জেনে নেই কাঁচা কলার উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ :

ওজন হ্রাস করে: কাঁচা কলার ফাইবার দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে। যারা ওজন কমাতে চান, তাদের খাদ্য তালিকায় রাখুন কাঁচা কলা।

শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে: কাঁচা কলা আঁশযুক্ত হওয়ায় রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন বি৬ গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং টাইপ-টু ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

হজমে সাহায্য করে: কাঁচা কলা পেটের ভিতরে খারাপ ব্যাকটেরিয়া দূর করে দেয়। তাছাড়া কাঁচা কলায় থাকা এনজাইম ডায়রিয়া এবং পেটের নানা ইনফেকশন দূর করে।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: কাঁচা কলায় প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম থাকে। এই পটাশিয়াম হৃদরোগে উপকারী। তাই নিয়মিত কাঁচা কলা খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়।

কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে: কাঁচা কলা কোলন থেকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, জীবাণু এবং ইনফেকশন দূর করে কোলনকে সুস্থ রাখে।

এছাড়া কাঁচকলায় থাকা ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস দেহের হাড় মজবুত এবং হাড় ক্ষয় থেকে রক্ষা করে। শরীরের জন্য অতি উপকারি এই সবজিটি রাখতে পারেন প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায়।


আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন।

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন।

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।

কাচা ছোলার উপকারিতা || কাঁচা ছোলা || সকালে কাঁচা ছোলা খাওয়ার উপকারিতা || কাচা ছোলার উপকারিতা ও অপকারিতা

 কাচা ছোলার উপকারিতা


কাঁচা ছোলার গুণ সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যপোযগী ছোলায় আমিষ প্রায় ১৮ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট প্রায় ৬৫ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ৫ গ্রাম, ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’ প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-১ ও বি-২ আছে। এছাড়াও ছোলায় বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে আরও অনেক উপকার।জেনে নিন….

* ছোলায় থাকা প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি দীর্ঘক্ষণ ধরে শরীরে শক্তির যোগান দেয়।

* ছোলা খাদ্যনালীতে ক্ষতিকর জীবাণু দূর করে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা কমায়।

* ছোলায় বেশ ভাল পরিমাণ ফলিক এসিড থাকায় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।

* ছোলা খাওয়ার পর বেশ অল্প সময়েই হজম হয়। ছোলার আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

* ছোলায় শর্করার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ কম থাকায় শরীরে প্রবেশ করার পর অস্থির ভাব দূর হয়।

* ছোলার শর্করা গ্লুকোজ হয়ে দ্রুত রক্তে যায় না। তাই ডায়াবেটিকস রোগীর জন্য ছোলা খুবই উপকারী খাবার।

* ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আঁশ আছে। এই খাদ্য আঁশ হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

* ছোলার ফ্যাটের বেশিরভাগই পলি আনস্যাচুয়েটেড। এই ফ্যাট শরীরের জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়, বরং রক্তের চর্বি কমায়।

* কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিকের চাহিদা পূরণ হয়। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায় এবং অ্যান্টিবায়োটিক যে কোনো অসুখের জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে।



Wednesday, 26 October 2022

কেন কাজুবাদাম খাওয়া আপনার জন্য এতো উপকারী || কাজুবাদাম || কাজুবাদাম এর উপকারিতা

 


কেন কাজুবাদাম খাওয়া আপনার জন্য এতো উপকারী



 

কাজুবাদাম হল গ্র্রীষ্মমণ্ডলীয় জায়গার ত্রুটিহীন আকারের নোনতা-মিষ্টি আরামদায়ক স্বাদ সহ সত্যিকারের উপহার। এই ছোট্ট মুচমুচে সময় কাটানোর মতন পছন্দের স্ন্যাক্স ভারতীয় রান্নাঘরে জায়গা করে নিয়েছে। কাজুবাদামের ভেতরে প্রচুর পরিমাণ মিনারেল, ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে। পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ কাজুবাদামের তাছাড়াও অনেক উপকারিতা আছে।

কাজুবাদামের উপকারিতা পাবার জন্য এটা কাঁচা, রোস্ট করে কিংবা সুস্বাদু রূপে খাওয়া যায়। উপকারিতার তালিকা নিচে দেওয়া হলো।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎকৃষ্ট উৎস

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হলো একপ্রকার যৌগ, যা কোষের অক্সিডেটিভ ক্ষতি কমায়। কোষের ক্ষতি করা ফ্রি রাডিক্যেলকে এটা নিষ্ক্রিয় করে। কাজুবাদামের মধ্যের সবথেকে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হলো ক্যারোটিনয়েড ও পলিফেনল। এইগুলো শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি সামলাতে সাহায্য করে, জ্বালাভাব-ফোলা কমায় ও রোগের হাত থেকে রক্ষা করে।

হৃৎপিণ্ডের জন্য স্বাস্থ্যকর

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যে কাজুবাদামের মধ্যে আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে এবং এইগুলো অ্যান্টি-কার্সিনোজেনিক, হৃৎপিণ্ড প্রতিরোধ ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটারি গুণসম্পন্ন। কাজুবাদামের মধ্যের হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যপোযগী ফ্যাটি অ্যাসিড (ওলিক ও পালমিটোলিকের মতন মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট) এলডিএল কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে এবং এইচডিএল-র বহন ক্ষমতা বাড়ায়, যা হৃৎপিণ্ড থেকে কোলেস্টেরল শোষণ করে ভাঙার জন্য সেটা লিভারের নিয়ে যায়। এটা ছাড়া, এইগুলো রক্তচাপ ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমায়।

সফলভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে

সাধারণত, কেউ যদি রোজ মাঝারি পরিমাণ বাদাম খায় তাহলে দ্রুত ওজন কমবে। কাজুবাদাম হলো ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ভাণ্ডার, যা মেটাবলিক প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে অতিরিক্ত ফ্যাট ঝরায়। বলা হয়, যে এটা কম পরিমাণ ক্যালোরি দেয়। তাছাড়াও, ফাইয়ার ও প্রোটিনের উপস্থিতি পেট ভরিয়ে রাখে। এইভাবে, এটা কার্যকারীভাবে ওজন কমায়।

হাড়ের সুস্থতা সুনিশ্চিত করে

কাজুবাদাম কপার সমৃদ্ধ, যা কোলাজেন ও ইলাস্টিন বজায় রাখে। এইগুলো হাড়ের বাঁধন তৈরি করে। কাজুবাদাম ম্যাগনেশিয়ামের উৎকৃষ্ট উৎস, যা হাড়ে ক্যালসিয়াম সংগ্রহ করে হাড় বানাতে সাহায্য করে। এর মধ্যের ম্যাঙ্গানিজ, কপার ও ম্যাগনেশিয়ামের সাথে একসাথে কাজ করে অস্টিওপোরেসিস প্রতিরোধ করে।

রক্তের অসুখ দূর করে

কপারের অপ্রতুলতা থেকে আয়রনের অভাব দেখা যায়, যেমন রক্তাল্পতা। এই পরিস্থিতিতে একজনের লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা কমে যায়। কাজুবাদামের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ কপার ও আয়রন থাকে। কপার শরীর থেকে ফ্রি রাডিক্যাল সরায় এবং এটা আয়রনের সাথে একসাথে কাজ করে লোহিত রক্ত কণিকা বানায়।

ওরাল হেলথের জন্য উপকারী

কাজুবাদাম মাড়ি ও দাঁতের সুস্থতা বজায় রাখে। এটা চিবানোর সময়য়ে, প্রচুর পরিমাণ লালা বা স্যালাইভা তৈরি হয়, যা ক্যাভিটির জন্য দায়ী স্ট্রেপ্টোকক্কাস মুটানস ব্যাকটেরিয়াকে নিষ্ক্রিয় করে তাছাড়া, প্রাকৃতিক উপাদানে সমৃদ্ধ খাবার চিবালে সেটা মাড়ি ও দুটো দাঁতের মধ্যের জায়গা পরিষ্কার করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

কাজুবাদামের মধ্যের জিঙ্ক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরো ভালোভাবে কাজ করায়। এটা একজনের শরীরে ইমিউন সিস্টেম সেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এনজাইম তৈরিতে সাহায্য করে এবং ইমিউন সিস্টেম রেগুলেটারকে কাজ করতে সাহায্য করে।

হজমশক্তি বাড়ায়  

কাজুবাদামে ওলিক অ্যাসিড ও পালমিটিক অ্যাসিডের মতন ডায়াটারি ফাইবার থাকে, যা ভালো করে হজম করায় এবং অনেক ধরণের হজম সংক্রান্ত অসুখ কমায়। অবশ্য মাঝারি পরিমাণ খেতে হবে নাহলে এইজন্য পেট ফুলতে পারে ও অন্ত্রে গ্যাস হতে পারে।

অন্যান্য উপকারিতা

বিশ্বাস করা হয়, যে একজনের রোজকার খাদ্যতালিকায় কাজুবাদাম যোগ করলে চোখ ও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়, চুল ও ত্বকের সুস্থতা বাড়ে এবং গলস্টোনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা পাওয়া যায় ও থাইরয়েডের কাজ নিয়ন্ত্রিত হয়।

বাজারে প্রাপ্ত অধিকাংশ কাজুবাদাম সেইভাবে পরিষ্কার না করেই বিক্রি করা হয় এবং সঠিকভাবে স্বাস্থ্যবিধি নিয়ন্ত্রণ করা হয় না বলে এইগুলো খাওয়া নিরাপদ নয়। সুতরাং, খাঁটি জায়গা থেকে আসল কাজুবাদাম কিনুন।

কাজুবাদাম হলো জমাটি, মিষ্টি স্বাদের বাদাম, নরম এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রচুর উপকারিতা দেয়। দিনে একবার একমুঠো কাজুবাদাম খেলে সেটা স্বাস্থ্যের অনেক উপকার করে।

সুতরাং, এই মুচমুচে কাজুবাদাম চিবান এবং স্বাস্থ্যবান থাকুন।

 

References:

https://food.ndtv.com/food-drinks/7-incredible-cashew-nut-benefits-from-heart-health-to-gorgeous-hair-1415221#:~:text=Cashew nut oil is rich,,” says nutritionist Anju Sood.

https://www.healthline.com/nutrition/are-cashews-good-for-you#uses

https://www.medicalnewstoday.com/articles/309369

https://nuts.com/healthy-eating/benefits-of-cashews

https://spreademkitchen.com/blog/the-health-benefits-of-cashews-11-reasons-to-eat-these-delicious-tree-nuts#:~:text=Cashews are important for blood,utilization of red blood cells.

https://timesofindia.indiatimes.com/life-style/health-fitness/health-news/Go-nuts-for-healthy-teeth/articleshow/4520161.cms#:~:text=Cashew is an energizing food,gums and cleans between teeth.

- ডঃ অমিতাভ সরকার দ্বারা সংশোধিত

ফুড সায়েন্টিস্ট, পিএইচ ডি যাদবপুর ইউনিভার্সিটি

প্রেসিডেন্ট- হেলথি ফুড, সস্তাসুন্দর.কম

সিইও এবং এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টার- হ্যাপিমেট ফুডস লিমিটেড

সার্টিফায়েড লিড অডিটর- আইএসও ২২০০০ (ফুড সেফটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম)

Tuesday, 25 October 2022

সুসাস্থ্যকর ত্বকের জন্য “৫ টি সুপারফুড”

 

স্বাস্থ্যকর ঝলমলে ত্বক,

প্রত্যেকটি মেয়ের স্বপ্ন। আমাদের মুখ হল একটি ব্যক্তিত্বের আয়না। সুতরাং, পুরুষ বা মহিলা, প্রতিটি মুখের উজ্জ্বলতা এবং সৌন্দর্য ,যেটা সকলেরই “স্বাস্থ্যকর ত্বককে জন্য” একটা চেলেঞ্জ। স্বাস্থ্যকর ঝলমলে ত্বকের সমাধানের কথা বলতে গেলে, বর্তমানে আমরা মুখের লাবণ্য বাড়ানোর উপায় হিসাবে, অনেক সিন্থেটিক কসমেটিক ব্যাবহার করে থাকি।

তবে এই বিউটি পণ্যের মধ্যে উপস্থিত রাসায়নিক পদার্থ, ত্বকের উন্নতি পাশাপাশি। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হওয়ার ঝুঁকিও বাড়িয়ে তোলে এবং অস্বাস্থ্যকর ডায়েটও অস্বাস্থ্যকর ত্বকের অন্যতম কারণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে, আমরা বাজারের প্রসাধনী পণ্যগুলি ব্যবহার না করেই, আমাদের ত্বককে দীর্ঘ সময়ের জন্য উন্নতি করা যায়। তবে এখানে স্বাস্থ্যকর ঝলমলে ত্বকের সম্পর্কে, বেশ কয়েকটি সুপারফুড রয়েছে যা ত্বকের অবস্থান, দূষণ এবং সূর্যের আলোকে প্রভাবিত করে। সাস্থ্যকর ত্বকের জন্য ৫ টি সুপারফুডের তালিকা এখানে দেওয়া হল।

সুসাস্থ্যকর ত্বকের জন্য ৫ টি সুপারফুড

১ পেঁপে Papaya

পেঁপের ফেসিয়াল এবং মাস্ক যা খুব জনপ্রিয়। মুখের ট্যান দূর করতে এবং মুখমণ্ডল উজ্জ্বল করার জন্য পেঁপে একটি দুর্দান্ত সমাধান। পেঁপে শুধু মুখের ফেসিয়ালই নয়, পেঁপে খাওয়াও ত্বকের জন্য উপকার। পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা আপনার ত্বকের রিঙ্কেল দূর করে স্বাস্থ্যকর ঝলমলে ত্বক প্রদান করে এবং ত্বকের অন্যান্য সমস্যা গুলিকে নিরাময় করে।

স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য পেঁপে হল একটি বিশেষ ময়েশ্চারাইজ। পেঁপের উচ্চমাত্রায় জলের উৎস, এটির গ্যারান্টি দিতে পারে। এই কারণে প্রতিদিনের ডায়েটে পেঁপে অন্যতম সেরা খাবার।

সুসাস্থ্যকর ত্বকের জন্য ৫ টি সুপারফুড
সাস্থ্যকর ত্বকের জন্য

২ অ্যাভোকাডো Avocado

অ্যাভোকাডো স্বাস্থ্যকর এবং প্রতিরক্ষামূলক হিসাবে কাজ করে। সূর্যের অতিরিক্ত তাপ থেকে সুরক্ষা দেয়, যেটা স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য তাৎপর্য পূর্ণ। সূর্যের অতিরিক্ত তাপ দ্বারা, কোষের ক্ষতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে অ্যাভোকাডো অন্যতম। এটি আপনার স্বাস্থ্যকর ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে রাখে।

অ্যাভোকাডো, ভিটামিন ই এবং আন্টিঅক্সিডেন্টের উপস্থিতির এক দুর্দান্ত উৎস। অ্যাভোকাডো ত্বকের রিঙ্কেল নিরাময় করে, আপনার ত্বককে আরও মসৃন এবং কম বয়সী করে তোলে।

সুসাস্থ্যকর ত্বকের জন্য ৫ টি সুপারফুড
সাস্থ্যকর ত্বকের জন্য

৩ কমলা Orange

আমরা সকলেই জানি যে, কমলা লেবু ভিটামিন সি এর একটি দুর্দান্ত উৎস। এক গ্লাস অরেঞ্জস জুস্ , আমাদের ত্বকের উজ্জলতার উন্নতি করতে পারে। তবে এই আশ্চর্যকর ফলটি থেকে শুধুমাত্র ত্বকের উপকারিতাই শেষ কথা নয়। কমলা লেবুতে উপস্থিত পুষ্টি এবং তেল যা আপনার ত্বককে ময়শ্চারাইজ করতে পারে। এটি ত্বকের কোলাজেনের বিকাশের উন্নতি করে।


আর এইভাবেই ত্বক মসৃণ এবং কম বয়সী লাবণ্য ধরে রাখে । প্রতিদিনের তালিকায় একটি কমলা লেবু , আপনার ত্বকের সমস্ত রকম চুলকানির থেকে মুক্তি দিতে পারে।

সুসাস্থ্যকর ত্বকের জন্য ৫ টি সুপারফুড

৪ সূর্যমুখী ফুলের বীজ Sunflower Seeds

সূর্যের তাপ এবং পরিবেশের সমস্ত দূষণ, ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। বিশেষত আপনাকে অল্প বয়সেও বয়স্ক দেখায়। এই সমস্যা নিরাময়ের জন্য একটি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান হ’ল ভিটামিন ই। সূর্যমুখী ফুলের বীজ উৎকৃষ্ট মানের ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবারগুলির মধ্যে একটি ।

এছাড়াও সূর্যমুখীর বীজে, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল বৈশিষ্ট্যগুলি, যা আমাদের ত্বককে স্বাস্থ্যকর এবং ঝলমলে রাখে।

সুসাস্থ্যকর ত্বকের জন্য ৫ টি সুপারফুড
সুসাস্থ্যকর ত্বক

৫ মিষ্টি আলু Sweet Potatoes

মিষ্টি আলু ঝকঝকে স্বাস্থ্যকর ত্বক এবং একাধিক পুষ্টির উৎস। এটি আমরা সব্জী হিসাবে খেয়ে থাকি। মিষ্টি আলু, ক্ষতিকারক ইউভি রশ্মি  (Ultraviolet) বিরুদ্ধে কাজ করে। এটির কারণে ত্বকের শুষ্কতা এবং কোষের ক্ষতি হতে পারে।

বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ মিষ্টি আলু, আপনার ত্বকের উজ্বলতা এবং চেহারায় বয়স্ক ছোপ দূরে রাখতে সাহায্য করে।

খেজুরের উপকারিতা

 

সুস্থ থাকতে, আমরা বিভিন্ন ধরণের খাবার গ্রহণ করে থাকি। তেমনি এই জাতীয় কিছু শুকনো ফল বা ড্র্রাই ফুড। আমরা বিভিন্ন খাদ্য উপাদানে ব্যবহার করে থাকি । এমনি একটি ফল খাজুর, যেটা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। খেজুর আমাদের স্বাস্থ্যের অনেক রকম সমস্যার ঝুঁকি কমাতে সক্ষম।

পাশাপাশি এই ফলগুলিতে কোন ধরণের রাসায়নিক প্রক্রিয়ার ঝুঁকি নেই এবং এটি পুষ্টিকর উপাদানে পরিপূর্ণ হওয়ার । ফলটি আরও নিরাপদ বলে বিবেচিত। এই রকমই “স্বাস্থ্য টিপস“, যেটা আজ আপনাদের জন্য।

খেজুরের উপকারিতার, স্বাস্থ্য টিপস!

ড্র্রাই ফুড খেজুর, যা আপনি খুব সহজেই যে কোন দোকানে, প্যাকেট আকারে পেতে পারেন। এই জাতীয় একটি শুকনো ফল। অনেকেই দুধের সাথে গ্রহণ করে। এটি আমাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অনেক রোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে সহায়ক।

খেজুরে উষ্ণতার প্রভাব রয়েছে, যার কারণে শীতকালে খেজুরের উপকারিতা আরো বেড়ে যায়। খেজুর খাওয়ার সর্বোত্তম ১১টি উপকারিতা রয়েছে, আসুন জেনে নেওয়া যাক অনন্য এই খেজুরের “স্বাস্থ্য টিপস” সম্পর্কে।

খেজুরের উপকারিতার, স্বাস্থ্য টিপস!

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে খেজুর
blood sugar

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে “স্বাস্থ্য টিপস”

যারা ডায়াবেটিসের (Blood sugar) রুগী, অথবা যাদের শরীরে রক্তের শর্করার পরিমাণ বাড়তেই থাকে এমন ব্যক্তি সহজেই ডায়াবেটিসের শিকার হন। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে, খাজুর একটি দুর্দান্ত ফল। তাই, আপনি যদি সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার খেজুর গ্রহণ করেন তবে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কয়েকগুণ কমে যেতে পারে।

উচ্চ এবং নিম্ন রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে খেজুর
Blood pressure

 

উচ্চ এবং নিম্ন রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে “স্বাস্থ্য টিপস”

নিম্ন রক্তচাপ- লো ব্লাডপ্রেসারের রোগীরা, উষ্ণ গরম জলে ২থেকে ৩ টি খেজুর ভালো করে ধুয়ে দুধের সংঘে সেদ্ধ করুন এবং সকালে ও সন্ধ্যায় এই দুধ পান করুন। নিয়মিত এই পান করলে কিছুদিনের মধ্যেই নিম্ন রক্তচাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

পেটের সমস্যার খেজুর
Stomach problems

পেটের সমস্যার “স্বাস্থ্য টিপস”

বর্তমানে পেটের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। ফাইবার সমৃদ্ধ এই খেজুর, পেটের সমস্যায় একটি বিশেষ জায়গা দখল করে নিয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কৃষি বিভাগের গবেষণার পরিপ্রেক্ষিতে বলা হয়েছে, খেজুরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার মজুত রয়েছে।

খেজুরের উপকারিতার, স্বাস্থ্য টিপস!

যা আমাদের হজম এবং পেটের অন্যান্য সমস্যার ঝুঁকি কমাতে সক্ষম। মূলত ফাইবার একটি সর্বোত্তম পুষ্টি হিসাবে বিবেচনা করা হয়। অতএব, ফাইবার সম্মৃদ্ধ পুষ্টির জন্য খেজুর একটি উপযুক্ত খাবার।

কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যার খেজুর
Constipation problem

কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যার “স্বাস্থ্য টিপস”

প্রতিদিন রুটিন করে, ৩-৪টি খেজুর ঈষদুষ্ণ গরম জলের সহিত গ্রহণ করলে। কোষ্টকাঠিন্যের মতো কঠিন রোগ নিরাময় হয়। যদি খেজুরের আচার প্রধান খাবারের সংঘে খাওয়া যায়, তবে এটি স্বাদ গ্রহনতির উন্নতি করে এবং বদহজম থেকে নিরাময় পাওয়া যায়।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে খেজুর
Heart disease

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে “স্বাস্থ্য টিপস”


হৃদরোগ সংক্রান্ত রোগ, প্রতি বছর সমগ্র বিশ্বে কয়েক লক্ষ মানুষের মৃত্যু ঘটে। বিশেষত হার্ট এটাক(heart attack ), এবং কার্ডিয়াক আর্রেস্ট (Cardiac arrest) এর ফলে মৃত্যু ঘটে। যেখানে খেজুর খেলে হৃদরোগের ঝুঁকির হার বহুগুণে হ্রাস পায়। কারণ খেজুরে রয়েছে ক্যারোটেনইডস এবং ফেনোলিক অ্যাসিডের বৈশিষ্ট্য। যা হার্ট সম্পর্কিত ঝুঁকিগুলি হ্রাস করে, আপনার হার্টকে রক্ষা করতে পারে।

মস্তিষ্ককের বিকাশ করতে খেজুর
Brain development

মস্তিষ্ককের বিকাশ করতে “স্বাস্থ্য টিপস”

মস্তিষ্কের কার্যকারি ক্ষমতা উন্নতি করতে এবং মস্তিষ্কের ক্রিয়াকলাপ বজায় রাখতে, খেজুর খাওয়া খুব প্রজন। একটি ক্লিনিকাল পর্যবেক্ষনে দেখা গেছে, যে খেজুর গ্রহণের মস্তিষ্কের স্বাভাবিক প্রদাহ হ্রাস করা যায় এবং খেজুর মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্র স্বাভাবিক ভাবে কাজ করতে উৎসাহিত করে। এর ফলে মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটে। একটি শুকনো খেজুর মস্তিষ্ককের টনিক হিসাবেও প্রমাণিত হতে পারে।

অস্তিতন্ত্র মজবুত করতে খেজুর
Bone pain

অস্তিতন্ত্র মজবুত করতে “স্বাস্থ্য টিপস”

শরীরের অস্তিতন্ত্র শক্তিশালী ও মজবুত করতে, খেজুর ব্যবহারও খুব উপযোগী। অস্তিতন্ত্রের সুস্বাস্থ্যের জন্য, খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমানে, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম। খেজুরের এই পুষ্টি হাড়কে মজবুত করার পাশাপাশি, বাত রোগের ঝুঁকিও কমায়। এর সর্ব্বোচ উপকারিতা পেতে খেজুর দুধের সহিত গ্রহণ করা যেতে পারে।

বিছানায় মূত্রত্যাগের খেজুর
Bed Wetting

বিছানায় মূত্রত্যাগের “স্বাস্থ্য টিপস”

বার্ধক্যজনিত বার বার যদি প্রস্রাব হয়, অথবা বার্ধক্যজনিত কারণে অনেকই অনিচ্ছা বশত, বিছানায় মূত্রত্যাগ করে ফেলে এবং শিশুরাও বিছানায় মূত্রত্যাগ করে। তাদের জন্য খেজুর একটি উপকারী ফল।

খেজুর খেলে মূত্রত্যাগ নিরাময় হয়। তবে শুধু খেজুর খাওয়ার থেকে, দুধের সহিত গ্রহণ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। আপনার শিশুকে দুধের সংঘে খেজুর খাওয়ান এতেকরে শিশুর পুষ্টির ঘাটতিও পূরণ করা সম্ভব।

গর্ভাবস্থায় খেজুর সম্পর্কিত খেজুর
pregnancy

গর্ভাবস্থায় খেজুর সম্পর্কিত “স্বাস্থ্য টিপস”

গর্ভাবস্থায় প্রোটিন, ভিটামিন যুক্ত অনেক ধরণের খাবারের প্রজন হয়। একটি গবেষণা অনুসারে, নিশ্চিত করা গেছে। যে গর্ভাবস্থায় থাকা কালীন খেজুর খাওয়া মহিলাদের স্বাস্থ্যের উপরে ভালো প্রভাব দেখা গেছে এবং খেজুর গ্রহণে করা মহিলারা গর্ভাশয় আর বেশি শক্তি অনুভব করে।

মহিলাদের ঋতুস্রাব সম্পর্কিত খেজুর
Menstruation in women

১০ মহিলাদের ঋতুস্রাব সম্পর্কিত “স্বাস্থ্য টিপস”

শীতকালীন মনসুমে, অনেক মহিলার ঋতুস্রাব সম্পর্কিত সমস্যা হয়ে থাকে। এই সমস্যার জন্য খেজুর বেশ উপকারী। নিয়মিত খেজুর গ্রহণ করা, মহিলাদের ঋতুস্রাব সম্পর্কিত সমস্যার থেকে মুক্তি মেলে এবং পাশাপাশি ঋতুস্রাব চলাকালীন পিঠের বা কোমরের ব্যথায় ক্ষেত্রেও আরাম পাওয়া যায়।

দাঁত ব্যথার খেজুর
Toothache

১১ দাঁত ব্যথার “স্বাস্থ্য টিপস”

দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে। প্রতিদিন ৩ – ৪টি খেজুর গরম দুধের সহিত গ্রহণ করলে, উপকার পাওয়া যাবে। ক্যালসিয়াম জনিত, ঘাটতির কারণে দাঁতের রোগ, দাঁতের দুর্বলতা, হাড়ের ক্ষয়, ইত্যাদি  ব্যাধি থেকে নির্মূল সম্ভব। কারণ খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম।

স্বাস্থ্য টিপস, অবিশ্বাস্য আপেলের ১০টি উপকারিতা!

 

অবিশ্বাস্য আপেলের ১০টি উপকারিতা। স্বাস্থ্য টিপস, আপেল বিশ্বব্যাপী একটি জনপ্রিয় ফল। ভিটামিন, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, এবং বিভিন্ন পুষ্টিগুনে সম্মৃদ্ধ এই ফলটি। যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। বলা হয়ে থাকে প্রতিদিন ১টি আপেল খেলে চিকিৎসকের কাছে যাবার প্রয়োজন হয় না ।

স্বাস্থ্য টিপস

Health tips, 10 Health Benefits of Incredible Apples!

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় আপেল (Apples) যুক্ত করা, যা আমাদের স্বাস্থ্যের উন্নতির সহায়তা করে। আপেলে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের কারণে। স্বাস্থ্যের উন্নতির পাশাপাশি, রোগ নিরাময় করতেও সহায়তা করে। আজ এই স্বাস্থ্য টিপসের, নিবন্ধে আমরা আপেলের উপকারিতা সম্নন্ধে বলব। আসুন জেনে নেওয়া যাক, অবিশ্বাস্য আপেলের ১০টি বিশেষ উপকারিতার সমদ্ধে।

স্বাস্থ্য টিপস

১ স্বাস্থ্য টিপস, হজম শক্তি বাড়াতে আপেল!

হজম শক্তি বাড়াতে এমন কিছু ফল রয়েছে, যা আহারের পরে আমাদের খাওয়া উচিত। যে ফলে এনজাইম এবং ফাইবারের আধিক্য বেশি থাকে। এই জাতীয় ফলের মধ্যে একটি হলো আপেল। যা আমাদের পাচনতন্ত্রকে সঠিকভাবে কাজ করতে সহায়তা করে। এক্ষেত্রে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ১টি আপেল, আপনার হজমের সমস্যাকে দূর করতে পারে। আপেল খাওয়ার মাধ্যমে হজম শক্তি আরো উন্নতি হয়। এজন্য প্রতিদিন ব্রেকফাস্টে ১টি করে আপেল যুক্ত করা উচিত।

স্বাস্থ্য টিপস

২ স্বাস্থ্য টিপস, ডায়াবেটিসের জন্য আপেল!

প্রায়শই ডায়াবেটিস রোগীদের মিষ্টি জাতীয় ফল থেকে দূরে রাখা হয়। কারণ বেশির ভাগ ফলই মিষ্টি জাতীয় হয়ে থাকে। তবে এমনই একটি ফল রয়েছে আপেল। যাতে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণকারী উপাদান রয়েছে, যেমন ভিটামিন, খনিজ ফাইবার এবং পাশাপাশি পলিফেনল নামে একটি বিশেষ উপাদান রয়েছে। যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। সুতরাং, অ্যাপল ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব উপকারী একটি ফল। ডায়াবেটিস রোগীদের প্রতিদিন ১টি করে আপেল খাওয়া উচিত।

স্বাস্থ্য টিপস

৩ স্বাস্থ্য টিপস, ক্যান্সারে আপেলের উপকারিতা!

এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ আপেল গ্রহনে মানসিক স্ট্রেস প্রতিরোধে সহায়তা করে। স্ট্রেস, মানব দেহের কোষের ক্ষতির একটি কারণ। যা নির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সারের বিকাশের কারণ হতে পারে। ফুসফুসের ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার এবং ফাইবার সমৃদ্ধ এই ফলটি , কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করতে সহায়তা করে। আপেল একটি এন্টিঅক্সিডেণ্টের ভাল উৎস।

স্বাস্থ্য টিপস

৪ স্বাস্থ্য টিপস, হৃদযন্ত্রের জন্য আপেল!

বর্তমানে বেশিরভাগই মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত এবং বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক মৃত্যুরও কারণ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি বছর সমগ্রবিশ্বে প্রায় দুই কোটি মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে, প্রদিনের খাদ্য তালিকায় আপেল রাখা জরুরি, যা আপনার হার্টকে সুস্থ এবং মজবুত রাখবে। আপেলে পলিফেনল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রচুর পরিমানে ফাইবার মজুত থাকার কারণে। রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রাকে হ্রাস করে। দেহের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল, হৃদরোগের প্রধান কারণ। হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে প্রতিদিন আপেল খাওয়া উচিত।

স্বাস্থ্য টিপস

৫ স্বাস্থ্য টিপস, ফুসফুসকে শক্তিশালী করতে আপেল!

হাঁপানি প্রতিরোধ করতে আপেল একটি দুর্দান্ত ফল। হাঁপানি আক্রান্ত ব্যক্তিরা প্রতিদিন আপেলের রস পান করলে। হাপানির হাত থাকে উপশম পাওয়া যায়। আপেলে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড যা ফুসফুসকে শক্তিশালী করে তুলতে সহায়তা করে। একটি গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে। যারা নিয়মিত আপেলের রস পান করে। তাদের ফুসফুস সংক্রান্ত রোগের সম্ভাবনা অনেকাংশে কম হয়।

স্বাস্থ্য টিপস

৬ স্বাস্থ্য টিপস, হাড়ের জন্য উপকারী আপেল!

আপেল হাড়ের জন্য খুব উপকারী একটি ফল। আপনার যদি হাড় সম্পর্কিত কোনো সমস্যা থাকে। তবে প্রতিদিন ১টি করে আপেল খান। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় একটি আপেল। নিজেকে অনেক রোগের থেকে এড়ানো সম্ভব।

স্বাস্থ্য টিপস

৭ স্বাস্থ্য টিপস, ওজন নিয়ন্ত্রনে আপেলের উপকারিতা!

বর্তমানে অনেকেই স্থূলতা নিয়ে খুব চিন্তিত। আপনি নিজেও যদি স্থূলতার সমস্যায় ভুগছেন এবং নিজের ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান, তবে প্রতিদিন আপেল খান, আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং আপনার শরীর সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকবে।

স্বাস্থ্য টিপস

৮ স্বাস্থ্য টিপস, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আপেল!

আপেলে উপস্থিত ভিটামিন সি যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। আপেলের খোসায় ফ্ল্যাভোনয়েড কোরেসেটিন থাকে। যা ইমিউন সিস্টেমকে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত আপেল খেলে, রোগজীবাণু সাথে লড়াই করার। শারীরিক ক্ষমতা দ্বিগুন বেড়ে যায়।

স্বাস্থ্য টিপস

৯ স্বাস্থ্য টিপস, মজবুত হাড়ের জন্য আপেল!

হাড় মজবুত করতে ফল খাওয়া জরুরি। বিশেষত আপেল, হাড়ের গঠন এবং উচ্চতার সাথে যুক্ত। যা স্বাস্থবান হাড়ের একটি চিহ্নিতকারী ফল। আপেলে, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি যৌগক। যা হাড়ের ঘনত্ব এবং মজবুত করতে সহায়তা করে ।

স্বাস্থ্য টিপস

১০ স্বাস্থ্য টিপস, ত্বকের জন্য আপেল!

চুল এবং ত্বকের উন্নতির জন্য, আপেলে রয়েছে প্রচুর গুণাবলী। যেমন আপেলে রয়েছে, প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ। যা ত্বকের উপর বয়সের ছাপ আড়াল করতে অত্যন্ত কার্যকরী।

10 টি স্বাস্থ্যের জন্য ডালিমের উপকারিতা || ডালিম এর উপকারিতা || ডালিম

ডালিম আমরা সাধারণ ফল হিসাবে জেনে থাকি। এটা বেদানা হিসাবে জনপ্রিয়তা বেশি। টুকটুকে লাল রঙের এই ফলটি সারা বছর জুড়েই প্রায় পাওয়া যায়। ডালিম অথবা বেদানা শুধুমাত্র ফল হিসাবে নয় বরং এটি স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অনেক সুবিধা রয়েছে। ডালিমের দানা তো আমরা সবাই খাই তবে এর রস খাওয়ার উপকারিতা অনেক। আমাদের শরীরের জন্য ডালিমের উপকারিতা বহু এবং তা জানলে আমরা অনেকটা আশ্চর্য হয়ে যাই।

  1. বর্তমানে ৮০ শতাংশ মানুষ হার্টের অসুখের জন্য মারা যায়। এই হার্ট রোগের একমাত্র কারন ভেজাল খাদ্য। বাইরের জাঙ্ক ফুড এবং তেলে ভাজা মাত্রাতিরিক্ত খাওয়ার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে আমাদের হৃদয়। যার দরুন দেখা মিলছে ভিন্ন ধরনের হার্টের অসুখ।

বাইরের জাঙ্ক ফুডে অতিরিক্ত তেল থাকে। এই তেল জাতীয় খাবারগুলি আমাদের দেহের ধমনীর আবরণে জড়িয়ে থাকে এবং ধীরে ধীরে ধমনী সংকুচিত হতে থাকে। যার জন্য দিনের পর দিন মানুষের হার্টের সমস্যা বেড়ে চলেছে। এর থেকে মুক্তি পাওয়ার উপাদান আমাদের হাতের সামনেই রয়েছে। নিয়মিত ডালিমের রস খেলে হার্টের অসুখের হাত থেকে রেহাই মেলে। কারন ডালিমের রস দেহের অতিরিক্ত চর্বিগুলি গলিয়ে দিতে সহায়তা করে। তাই আপনার যদি হার্টের অসুখ থাকে দেরি না করে আজ থেকে নিয়মিত ডালিমের রস খাওয়া শুরু করুন


  • ডায়রিয়া রোধ করতে ডালিমের উপকারিতা

ডালিম ডায়রিয়া প্রতিরোধ করতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। আমাদের সবারই একটা ভুল ধারনা রয়েছে ডায়রিয়া হলে ডালিম খাওয়া উচিত নয় কিন্তু আপনি কি জানেন ডায়রিয়া হলে ডালিমের রসের মতো ভালো বিকল্প অন্য কিছু হতে পারে না। নিয়মিত দুবেলা ডালিমের রস খেলে ডায়রিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ক্যান্সার প্রতিরোধে ডালিমের উপকারিতা

মারাত্মক রোগের প্রতিরোধের খুব কার্যকর। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায় বেদানার বীজে অ্যান্টি ক্যান্সারের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা ক্যান্সারের কোষগুলিকে ক্রমবর্ধমান হতে বাঁধা দেয়। এছাড়াও এটি স্কিন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা করে।
 

পচন তন্ত্র ভালো রাখতে ডালিমের উপকারিতা

ডালিমের দানা ভিটামিন বি এর ভালো উৎস। এটির জন্যই পাচক তন্ত্র ভালো থাকে। কারণ ভিটামিন বি শরীরের ফ্যাট, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেটকে দেহের শক্তিতে রূপান্তরিত করে।

ডালিম ফাইবার এবং অন্যান্য পুষ্টিগুণ ধারন করে যা আমাদের পাচক সিস্টেমের জন্য অত্যন্ত জরুরী। আপনি যদি নিয়মিত অল্প মাত্রায় ডালিম বা তার রস খান তাহলে আপনি হজম সম্পর্কিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। এছাড়াও এটি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে রেহাই দেয়।

রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল সমৃদ্ধ হওয়ায় ডালিম দেহের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায় ডালিমেরে দানায় এই উপদানগুলি বিদ্যমান থাকায় বিভিন্ন ধরণের ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা রয়েছে।

 

স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ডালিমের উপকারিতা

ডালিমের মধ্যে অ্যান্টি-প্লাক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা স্বাস্থ্যের উন্নতি করে এবং এটি সতেজ করে তোলে। ডালিমের উপস্থিত উপাদানগুলি ডেন্টাল ফলকের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে সক্ষম হয়। ২০১১ সালের একটি সমীক্ষা প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে ডালিমের রস দাঁতের সমস্যার ঝুঁকি হ্রাস করে।

 

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ডালিমের উপকারিতা

উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্যও ডালিম বেশ উপকারী। এটি অ্যান্টি- অক্সিডেন্ট, ভিতামিন সি এবং নাইট্রিক অক্সাইডের ভালো উৎস। এটি রক্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং রক্ত ধমনীতে পুষ্ট করার জন্য পরিচিত। এটি হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও অনেকাংশে হ্রাস করে। ২০১১ সালের একটি সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে ডালিমের রস প্রতিদিন এক গ্লাস ডালিমের রস পান করলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

জয়েন্টের ব্যথা দূর করতে ডালিমের উপকারিতা

ডালিম জয়েন্টগুলি এবং সম্পর্কিত সমস্যার জন্য একটি সফল চিকিৎসা। অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস এবং সামগ্রিকভাবে জয়েন্টে ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য নিয়মিত ডালিমের বীজ গ্রহণ করুন। এটিতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং প্রদাহ-হ্রাসকারী বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটি জয়েন্টগুলিতে প্রদাহ হ্রাস করতে সক্ষম।

অ্যানিমিয়ার জন্য ডালিমের উপকারিতা

dalim

রক্তাল্পতায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য ডালিম একটি জীবন রক্ষাকারী ভেষজ। এটি শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণ করে লাল রক্ত ​​কোষের সংখ্যাও বাড়িয়ে তোলে। এটি রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়িয়ে রক্ত ​​প্রবাহকেও উন্নত করে। এটি ছাড়াও এটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ যা আয়রন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

ত্বকের যত্নে ডালিমের উপকারিতা

ডালিম ভিটামিন “সি” এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহের সমৃদ্ধ হওয়ার জন্য ত্বকের যত্নে ডালিম অসাধারণ কার্যকর। ত্বকের দাগছোপ রিমুভ করে ত্বকে উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে তোলে। এছাড়াও ডালিমে উপস্থিত ভিটামিন “সি” ত্বক গ্লোয়িং করে পাশাপাশি ত্বকে বয়সের ছাপ পরতে বাধা সৃষ্টি করে। বাড়িতে ডালিমের প্যাক বানানোর জন্য একটি টিপস নীচে দেওয়া হল-

ডালিমের ফেস প্যাক বানানোর জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ-

  •  ২ টেবিল চামচ ডালিমের খোসার গুঁড়ো।
  • এক টেবিল চামচ লেবুর রস।
  • এক টেবিল চামচ মধু।
 

ডালিমের প্যাক প্রয়োগের পদ্ধতিঃ

ডালিমের খোসা গুঁড়ো করে লেবুর রস এবং মধু মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট বানিয়ে মুখে এবং ঘাড়ে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। প্যাকটি শুকিয়ে গেলে উষ্ণ গরম জল দিয়ে পরিষ্কার করে নেবেন।

সারকথাঃ 

এই ফেসপ্যাকটি ত্বকের কালচে ভাব সরিয়ে ত্বকের প্রাকৃতিক রঙ ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।

সচরাচর জিজ্ঞাস্য প্রশ্ন উত্তরঃ 

প্রঃ ডায়রিয়া রোগে কি ডালিম রস খাওয়া ভালো?

উঃ দিনে দুইবেলা ডায়রিয়া রোগীদের ডালিমের রস খাওয়া উচিত।

প্রঃ ডালিমের প্যাক ত্বকের জন্য কি উপকার করে?

উঃ  ডালিমের প্যাক ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

প্রঃ ডালিম খেলে আয়রনের ঘাটতি পূরণ হয়?

উঃ  আয়রনে ভিতামিন সি রয়েছে যা আয়রনের ঘাটতি পূরণ করে।

প্রঃ আর্থ্রাইটিসের ব্যথার জন্য ডালিম কি উপকার?

উঃ হ্যাঁ, জয়েন্ট সম্পর্কিত ব্যথা দূর করতে ডালিম খাওয়া উপকার।


 

 

 

 

 

যে ৭ জুসে মিলবে উজ্জ্বল ত্বক

খাবারের প্রভাব সম্পূর্ণটাই আমাদের শরীরের ওপরে পড়ে। আর সেই প্রভাব প্রকাশ পায় শরীরের অভ্যন্তরে ও বাইরেও। তাই সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর চেহারা পেতে বিভিন্ন খাবারকেই চিকিৎসা হিসেবে বেছে নেওয়ার জুড়ি নেই।

স্বাভাবিকভাবেই আমাদের নিয়মিত খাবারের তালিকায় প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান হিসেবে ফল ও সবজি রাখা উচিত। আর পুষ্টি পাওয়ার সবচেয়ে সহজ ও সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে জুস বানিয়ে পান করা।

আমরা সবাই চাই উজ্জ্বল ত্বক পেতে। এর জন্য বিভিন্ন পণ্যও ব্যবহার করে থাকেন অনেকেই। কিন্তু এসব পণ্যের নানান ক্ষতিকারক দিক বিবেচনা করেন কি? সেটি না করে থাকলে আপনার বেছে নেওয়া উচিত প্রকৃতিক উপায় যার কোনো ক্ষতিকারক দিক নেই। আর সেটি যদি সুস্বাদু হয়, তা হলে তো কথাই নেই।

তাই আজ জানুন এমন কিছু সুস্বাদু জুস সম্পর্কে যেগুলো খেলে মিলবে উজ্জ্বল ত্বক—

১. বিটরুট জুস
ত্বক ও স্বস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী একটি সবজি হচ্ছে বিটরুট। এটি ত্বক উজ্জ্বল করে এবং ত্বকের দাগ দূর করে। এ ছাড়া বিটরুটের জুসে ভিটামিন এ, সি, কে, ফলিক অ্যাসিড, ম্যাগনেসিয়াম, তামা, জিংকের মতো উপাদানের পাশাপাশি এতে প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আর বিটরুটে থাকা আয়রন ও পটাশিয়াম উপাদান রক্তকে বিশুদ্ধ করে ত্বককে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।

 



২. গাজরের জুস
গাজরে থাকা ভিটামিন এ আমাদের চোখের জন্য উপকারী হওয়ার পাশাপাশি এটি ব্রণ ও সূর্যের ক্ষতি থেকেও রক্ষা করে। এ ছাড়া গাজরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক উজ্জ্বল করার পাশাপাশি শরীরের ফ্রি র‌্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়।

 



৩. টমেটো জুস
ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে ও উজ্জ্বল করতে অনেক উপকারী টমেটোর জুস। এতে থাকা ভিটামিন সি, এ এবং লাইকোপেন নামের উপাদান ত্বকের জারণ সুরক্ষা প্রদান করে। এ কা


রণে এটি ত্বককে উজ্জ্বল করার পাশাপাশি বিবর্ণতা, দাগ ও  ব্রণ কমায়।

 

৪. কমলার জুস
কমলার রস আপনার ত্বকের শুষ্কতা, ঝলসানো ভাব এবং ফাটা ভাব থেকে সুরক্ষিত রাখতে পারে। আর এতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড ইলাস্টিন এবং কোলাজেন গঠনে সহায়তা করে ত্বককে উজ্জ্বল রাখে ও অকাল বার্ধক্য নিয়ন্ত্রণ করে।

 



৫. অ্যালোভেরা জুস
ত্বকের জন্য উপকারী উপাদানের মধ্যে অন্যতম পরিচিত একটি উপাদান হচ্ছে অ্যালোভেরা। অ্যালোভেরার রসে থাকা খনিজ এবং পুষ্টি উপাদান আপনার ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে পারে। এ ছাড়া এতে থাকা গিবেরেলিন এবং অক্সিন নামক হরমোন আপনার ত্বককে সুস্থ করতে সহায়তা করে।

 



৬. শসার জুস
শসার রস আপনার ত্বককে হাইড্রেট ও পুষ্ট রাখার পাশাপাশি ত্বক থেকে টকসিন বের করে দেয়। আর এতে থাকা সিলিকা আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে প্রাকৃতিক রঙ বাড়িয়ে তুলতেও অনেক কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

 



৭. ডালিমের জুস
ডালিমের রস ভিটামিন সি ও কে সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি ত্বকের কোষ ভালো রাখতে এবং বার্ধক্য প্রক্রিয়া ধীর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে রক্ত পরিশোধক বৈশিষ্ট্য থাকার কারণে এটি আপনার ত্বককে একটি প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা প্রদান করতে পারে। পাশাপাশি এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং পিউনিকিক অ্যাসিড আপনার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে।

 



আনারসের ১০টি অজানা গুণ

 


হ্যালো বন্ধুরা আপনারা কেমন আছেন!

আমাদের প্রকৃতি আমাদের দরকারি সমস্ত সামগ্রীই এই প্রকৃতিতে সৃষ্টি করে রেখেছে কিন্তু আমরা অনেকেই সেই সব অতি মূল্যবান বস্তুগুলি সম্পর্কে সচেতন নয়।
চলুন আজ আমরা সেইরকম কিছু জিনিস সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করি।

আনারস আমাদের অন্যতম প্রিয় ফল। আনারস আপনি কেটে অথবা আনারসের রস  বানিয়ে অথবা কোন রান্নায়, যেই ভাবেই খান না কেন, এটি সব সময়ই সুস্বাদু।

জ্বরের চিকিৎসায় গ্রাম বাংলায় আনারসের ব্যবহার বহু আগে থেকে চলে আসছে।

এছাড়াও এই ফলটির অনেক উপকারী গুন আছে, সেগুলি হলো -

১:) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ-

 আনারসে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি আছে।

ভিটামিন সি মানুষের অসুস্থতা থেকে বাঁচিয়ে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
এছাড়া আনারস অনেক এন্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে।

২:)  হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারীঃ-
আনারসে প্রচুর পরিমাণ ম্যাংগানিজ আছে যা হাড়ের গঠন, বৃদ্ধি ও পুনর্গঠনের জন্য খুবই দরকারি।

৩:) চোখের দৃষ্টির উন্নতি করেঃ-
ম্যাকুলার ডিজেনারেশন, চোখের দৃষ্টিজনিত একটি সাধারন রোগ।

এই রোগ অনেক বয়স্ক মানুষের মধ্যে অতি মাত্রায় দেখা যায়। আনারসে থাকা বেটা ক্যারোটিন বয়স জনিত এই ধরনের চোখের সমস্যা সৃষ্টিতে বাঁধা দেয়।

আনারস চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে এবং বয়সজনিত চোখের রোগ থেকে আমাদের দূরে রাখতে সাহায্য করে।

৪:) আঘাত বা কাঁটা ঘা ঠিক হতে সাহায্য করেঃ-
কিছু বিশেষ রোগ এবং দুর্বল স্বাস্থ্য মানুষের শরীরের নিজে থেকে সুস্থ হওয়াকে  বাধাগ্রস্থ করে।
এই সমস্যায় আনারস সাহায্য করতে পারে। আনারসে প্রচুর পরিমাণ ব্রোমেলিন আছে যা মানুষের নিজে থেকে সুস্থ হওয়ার ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে।

এখন আনারসের নির্জাসের লোশনও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

৫:) হজমে সাহায্য করেঃ- নিয়মিত আনারস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া সহ বিভিন্ন রকম হজম এবং পেটের সমস্যা থেকে নিস্তার পাওয়া যায়।

৬:) ক্যান্সার প্রতিরোধ করেঃ- আনারসে প্রচুর পরিমাণ এন্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিন এ, বেটা ক্যারোটিন, ব্রোমেলিনেবং ম্যাংগানিজ আছে যার ফলে আনারস নিয়মিত খেলে মুখ, গলা এবং ব্রেস্ট ক্যান্সার থেকে মুক্ত থাকা যায়।

৭:) কিডনির পাথর দূর করেঃ- নিয়মিত আনারস খেলে এটি ব্লাড ক্লট সৃষ্টিতে বাঁধা দেয় এবং এটির ভিতরে থাকা ব্রোমেলিন কিডনির পাথর দূর করতে সাহায্য করে।

৮:) ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করেঃ- আনারসে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম আছে। পটাশিয়াম রক্তচাপ কমিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত চলাচলে সাহায্য করে।

৯:) মুখের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করেঃ- আনারসের ভিতরে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট মুখের ক্যান্সার হতে বাঁধা দেয়। এছাড়া আনারস দাত ও মাড়ির শক্ত ও শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

১০:) ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করেঃ- আনারসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আছে যা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষদের জন্য খুবই উপকারী।
টাইপ ১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের রক্তের গ্লুকোজের লেভেল কমিয়ে এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষদের রক্তের সুগার, লিপিড এবং ইন্সুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

আর যদি এই লেখাটি আপনার কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের উপকারে লাগে তাহলে নিচের শেয়ার বাটন গুলোতে ক্লিক করে তাদেরকে শেয়ার করুন। 

আমাদের পরবর্তী লেখাগুলোর নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ঘন্টার মতো দেখতে বাটনটিতে ক্লিক করুন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। আমাদের টিম তার উত্তর যত দ্রুত সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে।

সবশেষে ভালো থাকবেন, খুশি থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন।